সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

জব্বর আলী এবং কুরা চোর তথা মুর্গী চোরের অতীত কান্ডকরখানা ও বর্তমান কলা বা আধুনিকতা।

 জব্বর আলী এবং কুরা চোর তথা মুর্গী চোরের অতীত কান্ডকরখানা ও বর্তমান কলা বা আধুনিকতা।


১৪০০ বছরের মেরুদন্ড ভাঙ্গার ইতিহাস জব্বর ঘুম। এবার বিলডিং বানানোর ইটপাথর ভাঙ্গানোর মেশিনের উৎকট আওয়াজে সকালে ঘুম ভাঙ্গা।গতরাতে জব্বর আলী এবং জীবিত মুর্গী চোরের সুখ ও শান্তিময় জীবনের ইতিহাস পড়ে ঘুমটাও হয়েছিলো সেইরকম আলিশান।হঠাৎ কাটখোট্ঠা আওয়াজে ভাঙ্গলো ঘুম। বুঝতে পারলাম মানুষের ইতিহাস যতটা না আধুনীক হতে যাচ্ছে তার চেয়েও বেশী খন্ডবিখন্ড হয়ে গেছে মানুষের অতীত মূখীনতায়।মানুষ আধুনিকতা ভালোবাসবেই অথবা এটা পছন্দ করবেই এমন মাথার দিব্যি দেয়া যায় না। শুধু বোঝানো যায় বিরূপ মনকে এভাবে, যে আধুনিকতা এটাতো এজন্যই আসলো যেন এটা শুধুমাত্র সুখ ও শান্তির নিমিত্তেই বরাদ্দ আছে। এর মধ্যে গোস্টি স্বার্থ যেমন আছে তেমনি আছে আহারে জ্যান্ত মুর্গী চোরের কাহীনিও।মুর্গী প্রচুর শব্দ করবেই আর ছুটে পালাতে চাইবেই।কিন্তু পারে না।কারন ১৪০০ বছরেও তো পারেনি।মুর্গী চোরের সঙ্গে এটাই বোধহয় তাঁর চুক্তি ছিলো। সত্য যে সৃস্টিকর্তা মুর্গীচোরকে অপরিমিত শক্তি দিয়েছেন বটে।কিন্তু এদিকে আবার আল্লাহ সীমালঙ্ঘন কারীকে ভালোবাসেন না। তাই গরুচোরের শাস্তির বিধানও আছে।গরু চুরিতে গিয়ে ধরা খেলে একে তো মরন হবে নাহলে বৃহৎ প্রাণীকে নানা বাহানায়  ''ইট্টুষখানি'' করার শাস্তি হিসাবে দুঃখকস্ট ধারন।প্রসঙ্গ উল্লেখ্য এই যে দ্বিতীয়তঃ বলতে চুরি করে  ধরা না খেলে তবুও মুর্গী চোরের আবার শান্তি প্রাপ্তির প্রত্যাশাও তো আছে।সুতরাং মোদ্দা কথা হল উত্তম-মধ্যম নিয়ে চলাচলের এইসকল জীবন বাস্তবতায় সবাই তো একপ্রকার ব্যাবসা করে।তাই ধর্ম নিয়ে কোনপ্রকার কাটখোট্টা আচরন না করাই ভালো।এটা তো মানুষেরই আচরন সমগ্র। তাইতো সীমালঙ্ঘন না করাই উত্তম।সবাই জোরসে বলুন এবার কোরাস কন্ঠে:- ‘’আহারে ও কুলসুম কোতুন আইলো ডুবাইওয়ালা করলো এই জুলুম...’’।


শব্দের শক্তি সম্ভবতঃ মানুষের শক্তির চেয়েও কিছুটা বেশী। তাই মানুষ এবং তার হবু ভাষন যেমন হয় তার মধ্যে ভবিষৎ প্রকৃয়াগুলি সুপ্ত ও প্রকাশমান থাকবে। হবুচন্দ্র রাজা ও গবুচন্দ্র মন্ত্রীর মত। শব্দগুলির বর্নচ্ছটা সর্বদাই যেন পরস্পরকে দৌড়ে হারানোর চেস্টা করছে। আমাদের বর্তমান বিষয়টি হচ্ছে চমৎকার ইংরেজী শব্দভান্ডারের নানামুখী চমকপ্রদ ক্ষেত্র উম্মোচিত করে দেখা। স্বাভাবিক ভাবে মনে হতেই পারে সভ্যতার সাথেই শান্তির একটি সংশ্লিসটতা থাকা উচিৎ। বলে এমন মনে হলেও বাস্তবে সেটা আর হচ্ছে কই।একটি মাত্র ইংরেজী শব্দের মাধ্যমে এই ভাবটিকে তুলে আনা যায়। Undulated যেন সফেন সমুদ্রের ফেনীল জলরাশি বিশাল ঢেউয়ের আকারে ফুলে ফুঁসে উঠছে সমুদ্রের তলদেশ হতে মাথা জাগিয়ে। চারদিকের সকল শব্দকে ছাপিয়েও শোনা যায় সেই শুভ্র সফেন জলরাশীর সমুদ্রততটে আছড়ে পড়ার বিপুল গর্জন। প্রথমেই মনে পড়বে যেটা সেটা হল এমনিতেই তো প্রকৃতির কাছে কতটাইনা তুচ্ছ আমরা।তার শান্ত সমাহিত রূপ বর্ণনার ভাষা যেখানে আমাদের নাই সেখানে ইংরেজী শব্দভান্ডারের একটি শব্দতেই অনুমিত হয় মনের গভীরে কতটা চেতনা ঘুমন্ত অথবা সুপ্ত।যেসকল বিশালত্ব প্রকাশের ভাষা মানুষের নাই সেটা ইংরেজী শব্দভান্ডার ধারন করে রাখে। এই শব্দের ব্যঞ্জনার মধ্যে ঘুমিয়ে থাকে মানব মনের ভবিতব্যের দর্শনেরও অনেকখানি অংশ। সেটাই বুঝার বিষয়। বাক্যে বাক্যে তা ধ্বনিত ও প্রতিধ্বনীত হচ্ছে।


Undulate (verb): তরঙ্গিত, ঢেউ খেলানো

past tense: undulated; past participle: undulated /ˈʌndjʊleɪt/:- move or go with a smooth up-and-down motion.Ex:- "the surface of the liquid undulated gently."

Spanish:- Ondular.

Portuguese:- Ondular

French:-Onduler

Latin:-Undulare

Italian:- Ondeggiare

Arabic:  -تموج  tamuj


মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

SAMHSA:- Substance Abuse and Mental Health Services Administration

 পৃথিবীতে নানা ধ্যানধারনার মানুষ রয়েছে। স্বাধীন জীবিকা সব সুস্থ মানুষের কামনা। তবে দর্শনের বাইরেও স্বাধীন সত্তার উপলব্ধির জন্য আরো অধিক কিছুর প্রয়োজনকে একেবারেই উড়িয়ে দেয়া যায় না। যদিও স্বাধীনতার প্রত্যাশাকে তার অনিবার্যতার জন্য উপযুক্ততার প্রমান পেশ করতে হয়।  স্বাধীন সত্বার ব্যাপারে আলোকপাত করতে গেলে প্রথমেই কিন্তু ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রশ্নই সামনে এসে দাড়ায়। তবে ব্যাক্তি স্বাধীনতার পথ রোধ করে দিবে একেবারেই এরকম ধর্ম বোধহয় পার্থীব চিন্তার সঙ্গে খুব একটা সঙ্গতিপূর্ন হবে না। কারন যুগের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ধ্যানধারনাও যেমন পাল্টাচ্ছে আর এভাবে তেমন আগের চেয়ে এখন মানুষের সামর্থও তো বেড়েছে।তাই সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলিও অনেক প্রসারিত হতে দেখা যাচ্ছে। তাই ব্যাক্তি স্বাধীনতায় সভ্যতার এইটুকু আশাতীত পরিবর্তন বাস্তবতাকে ধারন করে বিধায় এটা এখন খুবই লক্ষনীয়।

স্টেক হোল্ডার নির্বাচন সঠিক হল কিনা তার আগাম সংকেত

 এদেশে স্টেক হোল্ডার নির্বাচনে ভুল হয়। কারন তারা নিজেদের কাজের সীমা অতিক্রম করে যায় এবং অনধিকার চর্চা শুরু করে দিতে পারে। দেশের রাজনৈতীক হিসাবে এর কিছুটা সত্যতার সন্ধান পাওয়া যাবে।